• ৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২১ ইং , ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ২৯শে রবিউস-সানি, ১৪৪৩ হিজরী

সমুদ্রে হাঁটুপানিতে দাঁড়িয়ে কপ ২৬ সম্মেলনের ভাষণ

ভয়েস অফ বাংলাদেশ
প্রকাশিত নভেম্বর ৮, ২০২১
সমুদ্রে হাঁটুপানিতে দাঁড়িয়ে কপ ২৬ সম্মেলনের ভাষণ

নিউজ ডেস্কঃ 

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত পরিবেশ বিপর্যয় ঠেকানো বর্তমানে কতখানি গুরুত্বপূর্ণ- তা বোঝাতে অভিনব কায়দায় বার্তা পাঠিয়েছেন প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দ্বীপরাষ্ট্র টুভ্যালুর পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইমন কোফে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় টুভ্যালু তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে আছে, তা বোঝাতে নিজেই সমুদ্রে নেমেছেন কোফে। তারপর সেখানে হাঁটু পর্যন্ত পানিতে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। তার এ ভিডিও বার্তাটি গ্লাসগোতে চলমান জলবায়ু সম্মেলনে পাঠানো হয়েছে।

 

সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স। ভিডিওটি মঙ্গলবার জলবায়ু সম্মেলনে প্রচারিত হওয়ার কথা রয়েছে।

অবশ্য তার আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে সাইমন কোফের বক্তব্য দেওয়ার ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সমুদ্রের পানিতে বসানো হয়েছে মঞ্চ। সেখানে হাঁটুপানিতে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন সাইমন, পরনে স্যুট ও টাই। প্যান্ট হাঁটুর ওপর পর্যন্ত গুটিয়ে রাখা।

তার পেছনে জাতিসংঘ ও টুভ্যালুর পতাকা। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির বিপরীতে টুভালুর সংগ্রামের কথা সবাইকে জানাতে এমন পদক্ষেপ নেন সাইমন।

নিজ বক্তব্যে টুভ্যালুর পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে টুভ্যালু কী পরিমাণ বিপদ ও ঝুঁকিতে আছে, কপ ২৬ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দেশসমূহকে তা জানানোর জন্যই আমি এখানে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিচ্ছি। আমরা আশা করছি, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বিপর্যয় রোধে সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

 

টুভ্যালুর এক সরকারি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, রাজধানী ফুনাফুতির ছোট্ট দ্বীপ ফনগাফালের শেষ প্রান্তে ভিডিওটি ধারণ করেছে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেল টিভিবিসি।

কপ ২৬ সম্মেলনে কার্বন নিঃসরণে শীর্ষে থাকা দেশগুলো  নিঃসরণ কমাতে জোরালো পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। অনেকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনবে তারা।

তবে এসব আশ্বাসে ভরসা করতে পারছেন না প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রের নেতারা। তাদের দাবি, হুমকিতে থাকা নিম্নাঞ্চলের দেশগুলোকে বাঁচাতে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে হবে।