• ২রা ডিসেম্বর, ২০২১ ইং , ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ২৭শে রবিউস-সানি, ১৪৪৩ হিজরী

রশিদের ৪০০তম শিকার গাপটিল (লাইভ)

ভয়েস অফ বাংলাদেশ
প্রকাশিত নভেম্বর ৭, ২০২১
রশিদের ৪০০তম শিকার গাপটিল (লাইভ)

স্পোর্টস ডেস্কঃ 

নিউ জিল্যান্ড ১২ ওভারে ৭০/২ (উইলিয়ামসন ২০*, কনওয়ে ৪*, গাপটিল ২৮, মিচেল ১৭)

আফগানিস্তান ২০ ওভারে ১২৪/৮; (মুজিব ০*, রশিদ ৩, করিম ২, জাদরান ৭৩, নবী ১৪, গুলবাদিন ১৫, গুরবাজ ৬, জাজাই ২, শাহজাদ ৪)

বিপদজনক হয়ে উঠছিলেন মার্টিন গাপটিল। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে মুজিব উর রহমানকে টানা দুটি চার মেরে আফগানদের বিপদে ফেলার আভাস দিয়েছিলেন। কিন্তু রশিদ খান দ্বিতীয় ওভারে বল হাতে নিয়ে তাকে মাঠছাড়া করলেন। ২৩ বলে চারটি চারে ২৮ রান করে বোল্ড হন গাপটিল। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এটি রশিদের ৪০০ উইকেট। চতুর্থ খেলোয়াড় হিসেবে এই মাইলফলকে আফগান লেগস্পিনার। ডোয়াইন ব্রাভো (৫৫৩), সুনীল নারিন (৪২৫) ও ইমরান তাহির (৪২০) আছেন রশিদের উপরে।

পাওয়ার প্লে শেষে নিউ জিল্যান্ড স্বস্তিতে

পাওয়ার প্লেতে স্বস্তিদায়ক সংগ্রহ নিউ জিল্যান্ডের। প্রথম ৬ ওভারে ১ উইকেটে রান ৪৫। ক্রিজে আছেন কেন উইলিয়ামসন ও মার্টিন গাপটিল।

মুজিবের বলে মিচেলের বিদায়

দারুণ শুরু করেছিলেন ড্যারিল মিচেল। কিন্তু মুজিব উর রহমানের দ্বিতীয় ওভারে বিদায় নিলেন তিনি। চতুর্থ ওভারের প্রথম বলে তিনি থামেন ১৭ রান করে। ১২ বলের ইনিংসে ছিল ৩টি চার। ভাঙে ২৬ রানের উদ্বোধনী জুটি।

লক্ষ্যে নামা নিউ জিল্যান্ডের দারুণ শুরু

আফগানিস্তানেরও সেমিফাইনালে ওঠার সুযোগ আছে। এজন্য নিউ জিল্যান্ডকে ৮১ রানের মধ্যে গুটিয়ে দিতে হবে। কিন্তু কিউই ওপেনার ড্যারেল মিচেল দারুণ শুরু করেছেন। প্রথম দুই ওভারে একটি করে করে চার মেরেছেন। ২ ওভারে স্কোর বিনা উইকেটে ১৫ রান।

১২৫ রান করলেই সেমিফাইনালে নিউ জিল্যান্ড

আফগানিস্তান থামল ১২৪ রানে। ৮ উইকেট হারিয়ে তারা নিউ জিল্যান্ডকে ১২৫ রানের লক্ষ্য দিয়েছে। জিতলেই সেমিফাইনালে উঠবে কিউইরা।

১৯ রানে ৩ উইকেট নেই, পাওয়ার প্লেতে ২৩ রান। নিউ জিল্যান্ডের হাতের মুঠোয় ম্যাচ। কিন্তু পাঁচ নম্বরে নামা নাজিবউল্লাহ জাদরান পাল্টে দিলেন ম্যাচ। তার হার্ড হিটিং মনোভাবে আফগানিস্তান ঘুরে দাঁড়ায়। ইনিংস সেরা ৭৩ রান করে দলকে চ্যালেঞ্জিং স্কোরই এনে দিলেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

ইনিংসের মাঝে যেভাবে রানের গতি বেড়েছিল আফগানিস্তানের, শেষটা হয়েছে তার উল্টো। দলীয় ১১৯ রানে জাদরান মাঠ ছাড়ার পর শেষ ১০ বলে মাত্র ৫ রান যোগ হয় আরো দুটি উইকেট হারিয়ে। শেষ ওভারের প্রথম বলে রশিদ খানের ছক্কা দারুণ ক্ষিপ্রতায় বাউন্ডারি লাইনে আটকে দেন ড্যারিল মিচেল। ওই সুযোগ দুটি রান আসে। তারপর ডট বল এবং শেষ বলে রশিদ (৩) আউট কেন উইলিয়ামসনকে ক্যাচ দিয়ে।

নিউ জিল্যান্ডের পক্ষে বোল্ট সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন। দুটি পান টিম সাউদি।

বোল্টের জোড়া আঘাত

ট্রেন্ট বোল্ট তার শেষ ওভারে জোড়া আঘাত হানলেন। ১৯তম ওভারে ভয়ঙ্কর নাজিবউল্লাহ জাদরানকে ফেরানোর পর নতুন ব্যাটসম্যান করিম জানাতকেও আউট করেছেন কিউই পেসার। ইশ সোধির ক্যাচ হন ২ রান করে। ১৮.৪ ওভারে ১২১ রানে সপ্তম উইকেটের পতন।

জাদরানকে ফিরিয়ে নিউ জিল্যান্ডের স্বস্তি

দারুণ এক ইনিংসের সমাপ্তি হলো। নাজিবউল্লাহ জাদরান ৭৩ রান করে মাঠ ছাড়লেন। ট্রেন্ট বোল্টের বলে লং অফে জিমি নিশামের ডাইভিং ক্যাচ হন তিনি। ৪৮ বলে ৬ চার ও ৩ ছয়ে সাজানো ছিল তার এই ইনিংস। ১৮.২ ওভারে ১১৯ রানে নেই ৬ উইকেট।

নবীর বিদায়ে ভাঙল শক্ত জুটি 

নাজিবউল্লাহ জাদরানের সঙ্গে মোহাম্মদ নবীর ৪৮ বলে ৫৯ রানের জুটি ভাঙল। টিম সাউদির বলে ১৫তম ওভারে ফিরতি ক্যাচ দেন নবী, ২০ বলে ১৪ রান করেন আফগান অধিনায়ক। ১১৫ রানে ৫ উইকেট হারাল আফগানিস্তান।

আফগানিস্তানের একশ

নাজিবউল্লাহ জাদরানের ব্যাটে স্বস্তি খুঁজে পেয়েছে আফগানিস্তান। তার হাফ সেঞ্চুরির ইনিংসে দল একশ পার করেছে ১৭ ওভার শেষে, চার উইকেটের বিনিময়ে।

আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে জাদরানের হাফ সেঞ্চুরি

নবম ওভারে জিমি নিশামের শেষ দুই বলে চার, তারপর ১৪তম ওভারে মিচেল স্যান্টনারকে দুইবার ছক্কা হাঁকালেন। নাজিবউল্লাহ জাদরান ছিলেন এমন আগ্রাসী। তাতে ৩৩ বলে এসে গেল হাফ সেঞ্চুরি, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দ্বিতীয় ও সব মিলিয়ে ষষ্ঠ ফিফটি। ১৯ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর গুলবাদিন নাইবের সঙ্গে ৩৭ রানের দারুণ জুটি গড়েছিলেন জাদরান। তার ব্যাটেই ম্যাচে ফিরে আসছে আফগানিস্তান।

পাঁচ ম্যাচেই প্রথম ওভারে সোধির সাফল্য 

পাঁচ ম্যাচেই নিউ জিল্যান্ডের ইশ সোধি প্রথম ওভারেই বল হাতে নিয়ে উইকেট পেলেন। পাকিস্তানের ফখর জামানকে আউট করেন ষষ্ঠ বলে। ভারতের বিপক্ষে রোহিত শর্মার উইকেট নেন চতুর্থ বলে। পঞ্চম বলে স্কটল্যান্ডের জর্জ মুনসিকে ফেরান। নামিবিয়ার বিপক্ষে জেরহার্ড এরাসমুস উইকেট হারান তার দ্বিতীয় বলে। এবার গুলবাদিন নাইব ফিরলেন কিউই স্পিনারের ষষ্ঠ বলে। দশম ওভারে প্রথমবার বল হাতে নেন সোধি।

আক্রমণাত্মক জাদরান, নেই ৪ উইকেট

১৯ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর আফগানিস্তানের হয়ে ক্রিজে থিতু হতে সময় নেন নাজিবউল্লাহ জাদরান ও গুলবাদিন নাইব। এই জুটিতে পঞ্চাশ পার হয় দল। নবম ওভারে জিমি নিশামের শেষ দুই বলে চার মেরে মারমুখী জাদরান। আগে-পরে আরো দুটি বাউন্ডারি মারেন তিনি। অন্য প্রান্ত আগলে খেলতে থাকা গুলবাদিন বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ইশ সোধির বলে বোল্ড হন দশম ওভারের শেষ ডেলিভারিতে। ১৮ বলে ১ চারে ১৫ রান গুলবাদিনের। ১০ ওভারে আফগানদের স্কোর ৪ উইকেটে ৫৬ রান।

পাওয়ার প্লেতে চাপে আফগানিস্তান

পাওয়ার প্লের প্রথম ৬ ওভারে বিবর্ণ আফগানিস্তান। ৩ উইকেট হারিয়ে ২৩ রান করেছে তারা। নিউ জিল্যান্ডের বোলাররা ২৬টি ডট বল দিয়েছেন।

১৯ রানেই প্রথম তিন ব্যাটসম্যান নেই 

পাওয়ার প্লে শেষ না হতেই তৃতীয় উইকেট হারাল আফগানিস্তান। ১৯ রানে টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যান নেই। টিম সাউদি দ্বিতীয় ওভারে বল হাতে নিয়ে উইকেটের খাতা খুললেন। রহমানউল্লাহ ‍গুরবাজকে এলবিডব্লিউ করেন তিনি। ৯ বলে ৬ রান আসে আফগান ব্যাটসম্যানের ব্যাটে।

ব্যর্থ আরেক ওপেনার জাজাই

শাহজাদের বিদায়ের পরের ওভারেই ট্রেন্ট বোল্ট পেলেন সাফল্য। চতুর্থ ওভারের প্রথম বলে আরেক ওপেনার হযরতউল্লাহ জাজাই ফ্লিক করে মিডউইকেটে মিচেল স্যান্টনারের সহজ ক্যাচ হন। মাত্র ২ রান করেন জাজাই। ৩.১ ওভারে ২ উইকেটে আফগানিস্তান করেছে ১২ রান।

শাহজাদকে ফেরালেন মিলনে

টিম সাউদি বোলিং শুরু করেন। মোহাম্মদ শাহজাদ ও হযরতউল্লাহ জাজাই ওপেনিংয়ে। ৮ রানে ভেঙেছে উদ্বোধনী জুটি। দ্বিতীয় বলে বাউন্ডারি মেরে মারমুখী ইনিংসের আভাস দেওয়া শাহজাদ ৪ রান করে ফিরে গেলেন। অ্যাডাম মিলনের বাউন্সারে আপারকাট খেলেন তিনি, পেছনে উইকেটকিপার ডেভন কনওয়ে দারুণ ক্যাচ ধরেন। তাতে শেষ হলো শাহজাদের ১১ বলের ইনিংস। ২.২ ওভারে আফগানিস্তানের স্কোর ১ উইকেটে ৮ রান।

মুজিবকে একাদশে ফেরাল আফগানিস্তান

দুই ম্যাচ দলের বাইরে থাকার পর একাদশে ফিরেছেন মুজিব উর রহমান। শরাফউদ্দিনকে জায়গা ছেড়ে দিতে হয়েছে। নিউ জিল্যান্ড দল অপরিবর্তিত।

ডানহাতি অফস্পিনার মুজিব স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মাত্র ২০ রানে ৫ উইকেট নিয়ে দলের রেকর্ড জয়ে অবদান রাখেন। তারপর খেলেছেন আর একটি ম্যাচ, পাকিস্তানের কাছে হারের দিনে ১৪ রান খরচায় নেন ১ উইকেট। এরপর ইনজুরির কারণে পরের দুটি ম্যাচ খেলতে পারেননি। এই রহস্যময় বোলারের খোঁজ খবর রাখছে ভারত ভালোভাবে। দলের স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন তো বলেই দিলেন, তারা যদি মুজিবকে সুস্থ করে তুলতে ফিজিও পাঠাতে পারতেন!

মুজিব একাদশে ফেরায় নিউ জিল্যান্ডকে ভুগতে হতে পারে। কারণ আরেক প্রান্তে আছেন রশিদ, যিনি কেবল ভারতের বিপক্ষেই ছিলেন নির্বিষ। ৩৬ রান দিয়ে ছিলেন উইকেটশূন্য। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৯ রানে ৪ উইকেট নেন। পাকিস্তান ও নামিবিয়ার বিপক্ষে পরের দুই ম্যাচে ২৬ ও ১৪ রান দিয়ে ২টি ও একটি উইকেট পান।

তবে নিউ জিল্যান্ড তাদের প্রতিপক্ষের স্পিন আক্রমণ নিয়ে যেভাবে সংগ্রাম করছে, তা আফগানিস্তানের জন্য ইতিবাচক ব্যাপার হতে পারে।

আফগানিস্তান একাদশ: হযরতউল্লাহ জাজাই, মোহাম্মদ শাহজাদ (উইকেটকিপার), রহমানউল্লাহ গুরবাজ, নাজিবউল্লাহ জাদরান, মোহাম্মদ নবী (অধিনায়ক), গুলবাদিন নাইব, করিম জানাত, রশিদ খান, নাভিন উল হক, হামিদ হাসান, মুজিব উর রহমান।

নিউ জিল্যান্ড একাদশ: মার্টিন গাপটিল, ড্যারিল মিচেল, কেন উইলিয়ামসন (অধিনায়ক), ডেভন কনওয়ে (উইকেটকিপার), গ্লেন ফিলিপস, জেমস নিশাম, মিচেল স্যান্টনার, অ্যাডাম মিলনে, টিম সাউদি, ইশ সোধি, ট্রেন্ট বোল্ট।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে আফগানিস্তান

আবু ধাবিতে টস জিতে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আফগানিস্তান।

নিউ জিল্যান্ড ও আফগানিস্তান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি। দুই দলই সেমিফাইনালের লড়াইয়ে টিকে আছে, তাদের সঙ্গে আছে ভারত। নিউ জিল্যান্ডের সামনে সরল সমীকরণ, জিতলেই সেমিফাইনালে। আর হেরে গেলে ভারতের সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। কাল নামিবিয়ার বিপক্ষে শেষ ম্যাচ খেলবে তারা। জিতলে বিরাট কোহলিদের ভাগ্য নির্ধারণ হবে নেট রান রেটের হিসাবে। তখন তিন দলেরই সমান ৬ পয়েন্ট হবে।

২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারতকে হারিয়েছিল নিউ জিল্যান্ড। এই বছরের শুরুতে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালেও ভারতের বিপক্ষে জিতেছিল তারা। এবার আফগানিস্তানকে হারিয়ে কি ভারতকে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় করে দিবে কিউইরা? আরেকবার কি নিউ জিল্যান্ডের কাছেই স্বপ্ন ভেঙে যাবে ভারতের?