• ২রা ডিসেম্বর, ২০২১ ইং , ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ২৭শে রবিউস-সানি, ১৪৪৩ হিজরী

ফুলগাছের ঝোপে লুকিয়ে ছিলো শঙ্খিনী

ভয়েস অফ বাংলাদেশ
প্রকাশিত নভেম্বর ৫, ২০২১
ফুলগাছের ঝোপে লুকিয়ে ছিলো শঙ্খিনী

নিউজ ডেস্কঃ 

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় বসতঘরের সামনের উঠানে ফুলগাছের ঝোপে লুকিয়ে ছিলো এক শঙ্খিনী সাপ। খবর পেয়ে বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ সাপটি উদ্ধার করছে। এটি প্রায় ৫ ফুট লম্বা।

বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) রাতে উপজেলার তিলকপুরের মণিপুরীদের উত্তরপল্লী এলাকার মুকন্দ সিংহের বাড়িতে এই সাপটি দেখা যায়। পরে তিনি বন বিভাগকে খবর দেন।

 

শুক্রবার (৫ অক্টোবর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ মৌলভীবাজারের সহকারী বন সংরক্ষক শ্যামল কুমার মিত্র জানান, সাপটি উদ্ধার করা হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ সুস্থ আছে। লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করা হবে।

জানা যায়, শঙ্খিনী সাপকে এলাকা ভেদে আলাদা আলাদা নামে ডাকা হয়। এটাকে শঙ্খিনী বা ভোতালেজ কেউটে বা ডোরা কাল কেউটে বা ডোরা শঙ্খিনী বা শাঁখামুটি বলেও ডাকে অনেকে। এর ইংরেজি নাম Banded Krait, বৈজ্ঞানিক নাম Bungarus fasciatus। এটি এলাপিডি পরিবারভুক্ত এক প্রকার বিষধর সাপ।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের পরিবেশ উপযোগী অন্যতম সুন্দর সাপ শঙ্খিনী। অতি সুন্দর ও চমৎকার রঙে সজ্জিত এই সাপের মাথা আকারে বেশ বড়, সারা শরীরজুড়ে কালো ও হলুদ ডোরা। সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য হতে পারে ৬ থেকে ৭ ফুট।সাপটি শান্ত ও লাজুক স্বভাবের। এরা সাধারণত মানুষ এড়িয়ে চলে। এমনকি বিরক্ত করলে শরীর পেঁচিয়ে মাথা শরীরের নিচে লুকিয়ে রাখে। তবে শিকারে বেশ দ্রুত। এরা অন্য সাপ খায়। বিশেষ করে রাসেল ভাইপারের মত বিষাক্ত সাপগুলিও। স্ত্রী সাপ এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়ে ৪ থেকে ১৪টি ডিম দেয় এবং ডিমের পরিস্ফুটনকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করে। ডিমের পরিস্ফুটনের জন্য ৬১ দিন সময় লাগে।