• ২২শে অক্টোবর, ২০২১ ইং , ৬ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ১৬ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরী

করোনার কারণে কমেছে ৪৫ শতাংশ পরিবারের আয়

ভয়েস অফ বাংলাদেশ
প্রকাশিত মে ৭, ২০২১
করোনার কারণে কমেছে ৪৫ শতাংশ পরিবারের আয়

নিউজ ডেস্কঃ  গতবছর দেশে করোনার প্রকোপ শুরুর পর কর্মহীন হয়ে পড়েছিল ৬২ শতাংশ শ্রমশক্তি। যারা কাজ হারিয়েছে তাদের ৮২ শতাংশ কমপক্ষে ১ মাসের বেশি সময় বেকার ছিলেন। এই বেকার হয়ে পড়া শ্রমশক্তিরা পরবর্তীতে শ্রমবাজারে প্রবেশ করলেও তাদের আয় উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে।

কোভিডকালে আয় ও কর্মসংস্থান পরিস্থিতি নিয়ে খানা জরিপের ফলাফলে এ তথ্য উঠে এসেছে। অক্সফাম ইন বাংলাদেশের সহায়তায় এই গবেষণাটি পরিচালনা করেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। গত জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারির সময়ে ২ হাজার ৬০০ পরিবারে সরাসরি পদ্ধতিতে এই জরিপ চালানো হয়েছে। গবেষণার ফল তুলে ধরে ‘কোভিডকালে আয় ও কর্মসংস্থান পরিস্থিতি :কীভাবে মানুষগুলো টিকে আছে?’ শিরোনামে সংলাপের আয়োজন করে সিপিডি।

মূল উপস্থাপনা তুলে ধরে সিপিডির জ্যেষ্ঠ গবেষক তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘জরিপে ৪৫ শতাংশ পরিবার জানিয়েছে যে, করোনার আগের সময়ের তুলনায় বর্তমানে গড়ে ১২ শতাংশ হারে আয় কমেছে তাদের। সবচেয়ে বেশি কমেছে কৃষি খাতে, প্রায় সাড়ে ১৬ শতাংশ। আয় কমে যাওয়ায় ৫২ শতাংশ পরিবার খাদ্যগ্রহণ কমিয়ে খরচ বাঁচিয়েছেন। অর্ধেক পরিবার ঋণ করছেন। জরিপে দেখা যাচ্ছে, মাথাপিছু ঋণ দ্বিগুণ হয়েছে। ৮৬ শতাংশ পরিবার জানিয়েছে, তারা নিত্য প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত আয় করতে পারছে না। জরিপে অংশ নেওয়া ২০ শতাংশ পরিবার সরকারি প্রণোদনার সহায়তা পেয়েছেন।

কাজ হারানোদের মধ্যে মাত্র ২৩ শতাংশ সহায়তা পেয়েছে। জরিপে দেখা যায়, করোনার প্রভাবে ৫ শতাংশ পরিবার সম্পদ বিক্রি করে দিতে বাধ্য হয়েছে। গবেষণায় বলা হয়, মানুষের আয় কমে যাওয়ায় তারা খাবার খরচ কমিয়েছে। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতেও ব্যয় কমেছে। ফলে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টর (এসডিজি) অন্তত পঁচটি লক্ষ্য অর্জন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।’

অধ্যাপক রেহমান সোবহান বলেন, ‘লকডাউন কার্যকর হচ্ছে না, কারণ এটি বাস্তবায়ন করার মতো সক্ষমতা নেই। কর্মসংস্থান ও আয়ের প্রভাব বিবেচনায় জনগণকে নগদ সহায়তা আরো বাড়ানো প্রয়োজন। সরকারের নীতি সহায়তা বাড়ানো প্রয়োজন।’ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘করোনর প্রভাবে দেশে নব্য দরিদ্রগোষ্ঠী সৃষ্টি হয়েছে। হটাত্ করে নিম্ন মধ্যবিত্ত অনেকেই দরিদ্র হয়ে পড়েছেন।