• ১৫ই মে, ২০২১ ইং , ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ৩রা শাওয়াল, ১৪৪২ হিজরী

লকডাউনের ১ম দিনেই মৃত্যু ৯৬ জন , গত ১৫ দিনে মৃত্যু প্রায় ১ হাজার

newsup
প্রকাশিত এপ্রিল ১৫, ২০২১
লকডাউনের ১ম দিনেই মৃত্যু ৯৬ জন , গত ১৫ দিনে মৃত্যু প্রায় ১ হাজার

সাইমূম ইভান:::  করোনা সংক্রমণে দেশে গত ৩১ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত ১৫ দিনে মৃত্যুর সংখ্যা ৯৯৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এসময় মোট শনাক্তের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৭ হাজার ২৩৩ জনে। এদিকে করোনা সংক্রমণ রোধে দেশে চলছে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন।

মৃত্যু আর শনাক্তের পরিসংখ্যানে দেখা যায় গত ৩১ মার্চ ৫২ জনের মৃত্যু হয় এবং ৫ হাজার ৩৫৮ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। ১ এপ্রিল ৫৯ জনের মৃত্যু হয় এবং ৬ হাজার ৪৬৯ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। ২ এপ্রিল ৫০ জনের মৃত্যু হয় এবং ৬ হাজার ৮৩০ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। ৩ এপ্রিল ৫৮ জনের মৃত্যু হয় এবং ৫ হাজার ৬৮৩ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। ৪ এপ্রিল ৫৩ জনের মৃত্যু হয় এবং ৭ হাজার ৮৭ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। ৫ এপ্রিল ৫২ জনের মৃত্যু হয় এবং ৭ হাজার ৭৫ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়।

৬ এপ্রিল ৬৬ জনের মৃত্যু হয় এবং ৭ হাজার ২১৩ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। ৭ এপ্রিল ৬৩ জনের মৃত্যু হয় এবং ৭ হাজার ৬২৬ জনের দেহে শনাক্ত হয়। ৮ এপ্রিল ৭৪ জন মারা যান এবং ৬ হাজার ৮৫৪ জন করোনা রোগী শনাক্ত হন। ৯ এপ্রিল ৬৩ জন মারা যান এবং ৭ হাজার ৪৬২ জনের দেহে শনাক্ত হয়। ১০ এপ্রিল ৭৭ জন মারা যান এবং ৫ হাজার ৩৪৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত হন। ১১ এপ্রিল ৭৮ জনের মৃত্যু হয় এবং ৫ হাজার ৮১৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়। ১২ এপ্রিল ৮৩ জন মারা যান এবং ৭ হাজার ২০১ জনের করোনা শনাক্ত হয়। ১৩ এপ্রিল ৬৯ জন মারা যান এবং ৬ হাজার ২৮ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়

এদিকে দেশে বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস শনাক্তে বা মৃত্যুতে প্রতিদিনই রেকর্ড ভাঙছে। লকডাউনের প্রথম দিন ১৪ এপ্রিল গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৯৬ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৯ হাজার ৯৮৭ জনে।

এই সময় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৫ হাজার ১৮৫ জন। এখন পর্যন্ত দেশে করোনায় মোট শনাক্ত ব্যক্তির সংখ্যা ৭ লাখ ৩ হাজার ১৭০ জন। বুধবার (১৪ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনামুক্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৩৩৩ জন। আর এখন পর্যন্ত সর্বমোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লাখ ৯১ হাজার ২৯৯ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৪ হাজার ৮২৫ ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করা হলেও পরীক্ষা করা হয়েছে ২৪ হাজার ৯৯৫টি। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৯৬ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগেরই রয়েছেন ৬৮ জন। এছাড়া চট্টগ্রামে ১২, খুলনায় ৫, বরিশালে ৫, সিলেটে ৩ এবং ময়মনসিংহ বিভাগের ৩ জন রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৯৬ জনের মধ্যে ৫৯ জন পুরুষ, বাকি ৩৭ জন নারী। এদের মধ্যে ৯৪ জন হাসপাতালে মারা গেছেন। বাড়িতে ২ জন মারা যান।

অপরদিকে  করোনা নেগেটিভ হওয়ার ২৮ দিন পর করোনার টিকা নেওয়া যাবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। বুধবার (১৪ এপ্রিল) এ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য অধিদফতর মূলত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ অনুযায়ী চলছে। অতিরিক্ত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় যেন কোনও সমস্যা না হয়, সে সাবধানতার জন্য ২৮ দিন পর, অর্থাৎ চার সপ্তাহ পর টিকা নেওয়ার জন্য বলা হচ্ছে। এটা প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া সবার জন্যই প্রযোজ্য।

টিকার সার্টিফিকেট বিষয়ে সেব্রিনা ফ্লোরা আরও জানান, টিকার সার্টিফিকেট নিয়ে কাজ করছে তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এক সপ্তাহ পরে সিস্টেমে এটা অনবোর্ড হবে। সেখান থেকে টিকা সার্টিফিকেট ডাউনলোড করা যাবে।

সংবাদ সম্মেলনে অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০