প্রচ্ছদ

বিতর্কের মুখে পদত্যাগ করলেন স্বাস্থ্যের ডিজি

www.adarshabarta.com

স্বাস্থ্যখাতের নানা অনিয়ম নিয়ে তীব্র বিতর্কের মধ্যে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে জনপ্রশাসন সচিবের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। আবুল কালাম আজাদের পদত্যাগপত্র গৃহীতের বিষয়টি প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।স্বাস্থ্য সচিব আব্দুল মান্নান পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে তিনি তার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, নতুন মহাপরিচালক হিসেবে বর্তমান অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, মুগদা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. টিটু মিয়া এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক অধ্যাপক এ এইচ এম এনায়েত হোসেনের নাম বিবেচনায় রয়েছে।

প্রসঙ্গত, করোনা নিয়ে মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের কাজে সমন্বয়হীনতা আগে থেকে থাকলেও সেটা প্রকাশ্য হয়ে আসে সম্প্রতি কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসেবে অধিদফতর থেকে অনুমোদন পাওয়া রিজেন্ট হাসপাতাল এবং নমুনা সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠান জেকেজির নজিরবিহীন দুর্নীতি, অনিয়ম ও প্রতারণার পর।

আলোচনা সমালোচনার পর স্বাস্থ্য অধিদফতর সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলা হয়, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে চুক্তিটি করা হয়েছিল।’ এই বক্তব্যের পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অধিদফতরের মহাপরিচালককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে তিন দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলেছিলো। ওই সময়সীমার শেষদিনে মন্ত্রণালয়ে গিয়ে সচিবের কাছে নোটিশের লিখিত জবাব দিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ।২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালকের পদে রয়েছেন ডা. আজাদ। চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর চুক্তিতে নিয়োজিত ছিলেন তিনি। স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পাওয়ার আগে ডা. আজাদ এই অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালকের (প্রশাসন) দায়িত্বে ছিলেন।১৯৮৩ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করা আবুল কালাম আজাদ ২০০১ সালে অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান। ১৯৯০ সালে তৎকালীন আইপিজিএমআর (বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে এমফিল ডিগ্রি নেন তিনি।আবুল কালাম স্বাস্থ্য অধিদফতরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (এমআইএস) বিভাগের পরিচালক এবং অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালকের (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) দায়িত্বেও ছিলেন বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানায়।